মাননীয় সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিষয় : বিএনপি জামায়াতের কর্মীদের নিয়ে আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছেন ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম।
প্রিয় বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা,
অত্যন্ত নিরুপায় হয়ে আমরা আপনার শরণাপন্ন হয়েছি কারণ একমাত্র আপনি ছাড়া আওয়ামীলীগ বা দল নিয়ে অন্য কেউ তেমনভাবে ভাবে না। ইউরোপিয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান কিছুদিন আগে আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছেন। তিনি সেখানে বেছে বেছে আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের কর্মীদের বাদ দিয়েছেন আর জায়গা দিয়েছেন বিএনপি জামায়েত কর্মী ও অনুপ্রবেশকারীদের।
কমিটিতে অনেকেই আছেন যারা আওয়ামীলীগের কর্মী নন বা কখনোই আওয়ামীলীগ করেন নি। কিন্তু নিন্মে আমরা অন্তত: দুইজন বিএনপি জামায়েত সক্রিয় কর্মীর উদাহরণ তুলে ধরবো।
এই আহ্বায়ক কমিটিতে এদের একজন মিজানুর রহমান এবং লিস্টে ৫ নম্বরে আছেন।বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় তিনি একজন প্রাক্তন শিবিরের সাথী ছিলেন এবং তার পরিবারের দূর দূরান্তে কেউ-ই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। তার পরিবারের সবাই বিএনপি জামায়েত কর্মী।
# তার আপন বড় ভাই আয়ারল্যান্ড বিএনপির সহ-সভাপতি নাম জসিমুদ্দিন ও আরেক ভাই বাংলাদেশে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। #যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি মালেকের ডান হাত বলে পরিচিত এই জসিমুদ্দিন, নেত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে লন্ডনে বিএনপির সকল প্রতিবাদে উপস্থিত থাকেন। # মালেক আয়ারল্যান্ডে আসলে তার বাসাতেই থাকা ও খাওয়া দাওয়া করে। #এই হামিদুল নাসির লন্ডনে উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর হামলাকারী। #নিন্মে আয়ারল্যান্ড বিএনপির সভাপতি হামিদুল নাসিরের সাথে কিছু ছবি ও মিজান ও গালিবের আওয়ামীলীগ বিরোধী কিছু সাংগঠনিক তৎপরতা তুলে ধরা হলো।

লোকমুখে ও পত্রিকা মারফত আমরা জেনেছি এই কমিটি অর্থের বিনিময়ে গঠন করা হয়েছে , তা না হলে বিএনপি জামায়াতের কর্মী ও অনুপ্রবেশ কারীরা এই কমিটিতে স্থান পেত না। এই কমিটি গঠনকালে ইউরোপীয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বা সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান কেউই আহ্বায়ক বেলাল হোসেন বা সদস্য সচিব কাউর সাথেই কোনো ধরণের আলোচনা করেননি। আয়ারল্যান্ডে কর্মী সম্মেলনে এসে সভাপতি জনাব নজরুল ইসলাম অনুপ্রবেশকারী ও নব্য আওয়ামীলীগার বিএনপি জামায়াতের কর্মীদের তত্ত্বাবধানেই ছিলেন। তাদের ভাড়া করা হোটেল রুম, খাওয়া দাওয়া সহ সবকিছুই তাদের মাধ্যমে সংগঠিত হয়।
অতএব বিনীত নিবেদন প্রিয় নেত্রী ও অন্যান্য আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ আপনারা এই বিষয়ে আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের স্বার্থে বা দলের স্বার্থে একটি তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন সবার সাথে আলোচনা পূর্বক যেন এই কমিটি পুনর্গঠন করা সেই ব্যাপারে আপনাদের সময় দৃষ্টি কামনা করছি।