“মাননীয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের উপর বিএনপির হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা ”



যুক্তরাজ্যে কমনওয়েলথের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করতে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী বর্তমানে লন্ডনে আছেন। স্বভাবতই কয়েকজন মন্ত্রী , ব্যবসায়ী সহ বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিরা এই বাংলাদেশী প্রতিনিধি দলে থাকবেন। শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও তাদের প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে বর্তমানে লন্ডনে আছেন।

এমতাবস্থায়, বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে যুক্ত বিএনপি নামক সংগঠনটির নেতা কর্মীরা বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের মাননীয় ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়কে ঘিরে কোনো প্রকার উস্কানি ছাড়াই মল্লযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে।

এই সংগঠনটি কিছুদিন আগে কানাডার মহামান্য আদালত দ্বারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে জোরপূর্বক প্রবেশ করে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং সর্বশেষ বাংলাদেশের মাননীয় ক্রীড়া উপমন্ত্রীকে আক্রমণ করে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে পরিচিত পাওয়া নামের সার্থকতা প্রমান করেছে।

আমরা আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ, বিএনপি নামক সন্ত্রাসী সংগঠনের এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আমরা আরো উল্লেখ করতে চাই এই সংগঠনটির যিনি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া তার শাসনামলে ব্যাপক দুর্নীতি ও এতিমদের টাকা আত্মসাতের অপরাধে বর্তমানে বাংলাদেশের মহামান্য আদালত দ্বারা দণ্ডিত হয়ে কারাগারে অন্তরীণ আছেন। বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ও চুরি ও দুর্নীতিটির দায়ে আদালত দ্বারা দণ্ডিত হয়ে এখন লন্ডনে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

সবশেষে, আশার কথা এই যে, জয়ের উপর হামলার জন্য লন্ডন পুলিশ ইতিমধ্যে মারুফ ও বাপ্পি নামের দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে।আমরাও চেষ্টা করবো এই বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকান্ডে আমাদের চেনা পরিচিত যারা জড়িত ছিল তাদের একটা লিস্ট শীগ্র-ই বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার নিকট হস্তান্তর করার।

আমরা বরাবরের মতোই লন্ডন পুলিশকে ধন্যবাদ দিয়ে অনুরোধ করবো বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে ফেলার জন্য ও সকল হামলার মূল হোতা তারেক রহমানকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।


      


নিবেদক,
   
কিবরিয়া হায়দার
সভাপতি
আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ

বেলাল হোসেন
সাধারণ সম্পাদক
আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ
      

বিবৃতিতে আরো যারা সম্মতি জানিয়েছেন,
সৈয়দ বিপুল (সহ-সভাপতি, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ)
আরমান কাজী (সহ-সভাপতি,আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ)
মিজান রহমান (সহ-সভাপতি,আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ)
ইনজামামুল হক জুয়েল (যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ)
রফিক খান (প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক , আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ )
ফিরোজ হোসেন ( সভাপতি, ডাবলিন আওয়ামীলীগ)
অলক সরকার (ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, ডাবলিন আওয়ামীলীগ)
সেলিম অরণ্য (সহ-সভাপতি, ডাবলিন আওয়ামীলীগ)
আবদুল হক সাগর (সভাপতি, গলওয়ে আওয়ামীলীগ)
সামির জসীম (সাধারণ সম্পাদক, গলওয়ে আওয়ামীলীগ )
সমীর কুমার ধর (সাংগঠনিক সম্পাদক, ডাবলিন আওয়ামীলীগ)
জসিম পাটোয়ারী (সহ-সভাপতি, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ)
হাফিজুর রহমান লিঙ্কন (সদস্য, আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগ)
নাজমুল হক রুমন (সদস্য, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ )
শফিকুর ইসলাম (সদস্য, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ )
সুজন কুন্ডু (সদস্য, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ )
আশরাফুল ইসলাম (সদস্য, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ )
গিরিশ বড়ুয়া (সদস্য, আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ )


ফয়জুল্লাহ শিকদার (সভাপতি, আয়ারল্যান্ড বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন)
কামরুজ্জামান নান্না (সাধারণ সম্পাদক, আয়ারল্যান্ড বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন)


তৌহিদ হাসান (সভাপতি, আয়ারল্যান্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ )
এ আর নয়ন (সাধারণ সম্পাদক , আয়ারল্যান্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ)


নোমান চৌধুরী (সভাপতি,আয়ারল্যান্ড ছাত্রলীগ )
রিব্বী ইসলাম (সাধারণ সম্পাদক, আয়ারল্যান্ড ছাত্রলীগ)।

এবং
ডাবলিন ও আয়ারল্যান্ড আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


      

 পত্রিকায় প্রকাশিত আমাদের সংবাদ


      


      

[ সংবাদটি পড়া হয়েছে : 3702 বার ]